Header Ads Widget

খুলনাকে হারিয়ে তামিমদের তিনে ঠেলে দিল চিটাগং

 


তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশাল বৃহস্পতিবার বিকেলের ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে বিপিএল পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছিল। তবে সেই অবস্থান তারা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের স্থান হারাতে হয়। চিটাগং কিংস নিজেদের ম্যাচে খুলনাকে ৪৫ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে। এই জয়ের ফলে শ্রেয়তর রানরেটের মাধ্যমে চিটাগং কিংস বিপিএল তালিকার দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে।
চিটাগংয়ের এই জয়ের নায়ক গ্রাহাম ক্লার্ক। এবারের বিপিএলে মাঠে নামার পর থেকেই তিনি ধারাবাহিকভাবে রান তুলছেন। প্রতিটি ইনিংসে অন্তত ৩৯ রান করার ধারায় রয়েছেন তিনি।

এর আগে তিন ম্যাচে ইংলিশ এই ব্যাটারের স্কোর ছিল যথাক্রমে ৪০, ৩৯, এবং ৬০। এবার খুলনার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছালেন তিনি। মাত্র ৫০ বলে ১০১ রান করেন ক্লার্ক। তার এই ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭টি চার এবং ৬টি ছক্কায়। তার অসাধারণ ইনিংসের সঙ্গে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের ৩৯ রানের কার্যকরী ইনিংস যোগ করে চিটাগং ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে ২০০ রানের বিশাল সংগ্রহ।

জবাবে খুলনা শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। পাওয়ারপ্লের পঞ্চম ওভারে ৪২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপের মধ্যে পড়ে তারা। সেই চাপ থেকে আর বের হতে পারেনি দলটি। মেহেদি হাসান মিরাজ ভালো শুরু করেছিলেন, কিন্তু তার ৮ বলে ১৯ রানের ইনিংস বড় হয়নি। একই অবস্থা আফিফ হোসেনের ২০ রানের ইনিংসেরও।



শেষ পর্যন্ত, খুলনার ইনিংস বড় রানের চাপ সামলাতে ব্যর্থ হয়, এবং চিটাগং সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

দারউইশ রাসুলির ব্যাট থেকেই আসে দলের সর্বোচ্চ রান। তবে সেটাও ছিল মাত্র ৩৭ রান। এতে খুলনার অবস্থা সহজেই অনুমেয়। শেষ পর্যন্ত দলটি লড়াই করতে করতে থামে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রানে।

চিটাগংয়ের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন আরাফাত সানি, যিনি ২৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ প্রত্যেকে নেন ২টি করে উইকেট। আর আলিস আল ইসলাম ও মোহাম্মদ ওয়াসিম তুলে নেন একটি করে উইকেট।



এই জয়ে বড় ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে ফিরে আসে চিটাগং। অন্যদিকে বরিশাল নেমে যায় তৃতীয় স্থানে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ