Header Ads Widget

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদনে ভোট পেছাল ইসরায়েল



 



ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ভোটাভুটি আয়োজন পিছিয়ে দিয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস সব শর্ত মেনে না নিলে এই ভোটাভুটি হবে না।

তেল আবিবের অভিযোগ, হামাস শেষ মুহূর্তে চুক্তিতে নতুন কিছু শর্ত যোগ করতে চাইছে বলে জানা গেছে বিবিসির এক প্রতিবেদনে।

বৃহস্পতিবার সকালে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ভোট হওয়ার কথা ছিল। তবে ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দেন যে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু অভিযোগ করে বলেন, "হামাস শেষ মুহূর্তে কিছু ছাড় জোর করে আদায়ের চেষ্টা করছে।" তাই, হামাস চুক্তির সব শর্তে রাজি না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় ভোট হবে না।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের কট্টরপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির হুমকি দিয়েছেন যে, যদি এই চুক্তি অনুমোদন করা হয়, তবে তিনি সরকার থেকে পদত্যাগ করবেন।

বেন-গাভির এক টেলিভিশন বিবৃতিতে বলেন, "এই চুক্তিটি বেপরোয়া। এতে শত শত ফিলিস্তিনি যোদ্ধা মুক্তি পাবে। গাজার কৌশলগত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হলে যুদ্ধের অর্জনগুলো মুছে যাবে এবং হামাস অপরাজিত থাকবে।"

বুধবার সন্ধ্যায় কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল-থানি দোহায় আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণা দেন। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একাধিক পোস্ট করেছেন।



১৫ মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার এবং মিসর মূল মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী রবিবার থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ